আমাদের এই পথচলা বংশপরম্পরা, একনিষ্ঠ সাধনা এবং কালজয়ী কারুকার্যের এক অনন্য উপাখ্যান।
১৯৫৬ সালে, তাঁর পিতা প্রয়াত মহাদেব চন্দ্র ধারার হাত ধরে এবং ভাইদের সাথে মিলে প্রয়াত মুক্তিপদ ধারা প্রথম অলঙ্কার শিল্পের জগতে পা রাখেন। তিনি এই শিল্পকে কেবল একটি দক্ষতা হিসেবে নয়, বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে চলা এক উত্তরাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
১৯৬০ সালে, দূরদর্শী ভাবনা এবং শ্রেষ্ঠত্বের সন্ধানে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান — “মুক্তিপদ ধারা জুয়েলার্স”। সততা, সূক্ষ্মতা এবং নিভৃত মগ্নতায় শুরু হয় এক গৌরবময় যাত্রা।
অলঙ্কার শিল্পী পরিবারের শিকড় থেকে উঠে আসা তাঁর প্রতিটি কাজে ফুটে উঠত ঐতিহ্যের গভীরতা এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ছাপ। সোনা ও রত্নের বিশুদ্ধতা এবং নিখুঁত কারুকার্যের প্রতি তাঁর অটল অঙ্গীকার ছিল প্রশ্নাতীত—যে মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে তিনি জয় করেছিলেন প্রজন্মের পর প্রজন্মের বিশ্বাস।
তাঁর সৃষ্টি করা অলঙ্কার কেবল শোভাবর্ধক ছিল না; তা হয়ে উঠেছিল মানুষের ব্যক্তিগত ইতিহাস, আনন্দময় উৎসব এবং দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
আজ, আমরা সেই একই নিষ্ঠার সাথে তাঁর উত্তরাধিকারকে বহন করে চলেছি। আমাদের ঐতিহ্যের সারবত্তাকে অক্ষুণ্ণ রেখে আমরা বিলাসিতাকে এক মার্জিত ও আধুনিক রূপ দান করছি। আমাদের প্রতিটি সৃষ্টি সেই বহু বছরের শিল্পকলার প্রতি এক বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি, যেখানে ঐতিহ্য অমলিন থাকে এবং কারুকার্য নিজেই কথা বলে।
“১৯৬০ সাল থেকে — স্বর্ণশিল্পে এক নিরবচ্ছিন্ন উত্তরাধিকার।”